নওগাঁয় ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, ১ আদিবাসী নিহত

image
প্রতীকি ছবি

প্রকাশ: ২০২১/০৪/২১ ০০:৫৫

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক আদিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল), উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের মাসনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বুধু (৬০) নামের এক আদিবাসী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ২ নারীসহ অন্তত ৮ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের বান্দইল বিচিবাড়ী গ্রামের মৃত তারণ সরদারের আরএস রেকর্ডভূক্ত ৩ একর ৫৬ শতক জমিতে মৃত মসি সরদারের ছেলে বুধু সরদার, তারানু সরদার, বিধানের ছেলে খোকা টপ্প, মৃত তারণ সরদারের ছেলে বিধান সরদার বোরো ধান রোপন করেন।

আজ বিকেল ৩টায় তাঁরা ধান কাটতে গেলে একই গ্রামের বনমালি তাঁর ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে হাসুয়া, তীর ধনুকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মসি সরদারের ছেলে বুধু (৬০), তারানু (৬৫), মন্টুর স্ত্রী বুঝমনি (৫০), মৃত খগনার ছেলে সারিতন (৩৫), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার হরিসপুর দেওপুরা গ্রামের মজিদের ছেলে বিজয় (১৫), পোরশা উপজেলার নোনাহার গ্রামের সিনাইয়ের মেয়ে কবিতা (১৯) এবং অপরপক্ষের মাসনা গ্রামের মহাদেবের ছেলে অতিস কুজুর (৫০), দেবেন্দ্রর ছেলে রিপন (৩০), প্রশান্ত (৩৫) আহত হয়। আহতদের নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধুর (৬০) মৃত্যু হয়।

আহতদের মধ্যে তীরবিদ্ধ সারিতন, কবিতা ও তারানুকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার আহমেদ জানান, প্রত্যেককেই প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সারিতন, কবিতা ও তারানুকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধুকে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলাকালেই তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

কমেন্টবক্স

আপনিও স্ব মতামত দিন