অলিম্পিকে খেলার স্বপ্ন জিমন্যাস্টিকসে স্বর্ণজয়ী রাজিব চাকমার

image

প্রকাশ: ২০২১/১০/১১ ২৩:১৯

গত ১০ এপ্রিল শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসের জিমন্যাস্টিকসের পোমেল্ড হরস এবং প্যারালাল বারস ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছেন রাজিব চাকমা। আরও জিতেছেন তিনটি রৌপ্য পদক। পাহাড়ের এই কৃতি খেলোয়াড় নিজেকে নিয়ে যেতে চান আরও উচ্চতায়। অলিম্পিকে খেলার স্বপ্ন দেখেন।

শুরুটা ফ্লোর আর ভল্ডিং টেবিলে করেছিলেন রাজিব। কিন্তু ইনজুরির কারণে তাকে নিজের দুই প্রিয় ইভেন্টকে বিসর্জন দিতে হয়েছে। তারপরও প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ গেমসে অংশ নিয়ে স্বর্ণ জিতে তৃপ্ত রাজিব।

স্বর্ণজয়ের পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল যে পারবো, অবশেষে পেরেছি। খুবই ভালো লাগছে।’

খেলা শেষ হবার পর পাহাড়ের এই কৃতি খেলোয়াড় বান্দরবানের লামায় চলে গেছেন। তিনি সন্দীপ চাকমা ও আনন্দ মায়া দম্পতির ছোট ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাবার সন্ন্যাস গ্রহণের কারণে তাদের অভাবের সংসার। বড় ভাই গার্মেন্টসে চাকরি করে সংসার চালান।

এই দুঃখ দারিদ্রের মধ্যেও বান্দরবানের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি হবার পর রাজিব চাকমা জিমন্যাস্টিকসের প্রতি প্রেমে পড়ে যান। অলিম্পিক ও আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকসের বিভিন্ন খেলা টেলিভিশনে দেখা রাজিবও সবচেয়ে মনমাতানো এই খেলার দিকে ঝুঁকে পড়েন। ২০১২ সালে কোয়ান্টাম স্কুলে তিনি জিমন্যাস্টিকসে নাম লেখান।

বঙ্গবন্ধু গেমসে দুই ইভেন্টে স্বর্ণ জিতলেও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েই উদ্বিগ্ন এই খেলোয়াড়। কারণ অনেকের কাছেই শুনেছেন, অতীতে ভালো করা ক্রীড়াবিদরা হারিয়ে গেছেন। তাদের হারিয়ে যাওয়ার মূলে ছিল প্রশিক্ষণের অভাব।

তবে বাংলাদেশ গেমস থেকে উঠে আসা নতুন তারকাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা।

শেয়ার করুন

কমেন্টবক্স

আপনিও স্ব মতামত দিন