দেশের ৪ কোটি মানুষ পুষ্টিহীনতার শিকার। এরমধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদিবাসী দলিত সম্প্রদায় সর্বাধিক পুষ্টিহীনতার শিকার। গতকাল রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে খাদ্য অপচয় রোধের গুরুত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিসেফ ফাউন্ডেশন, বিএআরসি, কৃষি সাংবাদিক ফোরাম ও হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

বক্তারা আরও জানান, প্রায় ৪৪ শতাংশ নারী রক্তস্বল্পতায় ভুগেন। দেশে প্রতি পাঁচজনে একজন দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে। তন্মধ্যে প্রত্যন্ত গ্রাম, চর অঞ্চল, দলিত, আদিবাসী ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি পুষ্টিহীনতায় ভুগে।

সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, দেশে ৪ কোটি মানুষ আর পৃথিবীতে ৮২ কোটি মানুষ পরিমিত খাদ্য পাচ্ছে না। অথচ পৃথিবীতে উৎপাদিত খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশ অপচয় হয়, যার পরিমাণ ১৩০ কোটি টন। ধানের ক্ষেত্রে উৎপাদন-পরবর্তী ক্ষতি ১০ শতাংশ, গমের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ও শাক সবজির ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৪২ শতাংশ। উৎপাদন স্তরে ইঁদুর প্রতিবছর নষ্ট করে ৭৩২ কোটি টাকার ফসল। দেশে পোকা, রোগ ও আগাছার কারণে নষ্ট হয় ২০ শতাংশ ফসল।

সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুকের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুর রউফ, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. ওয়ায়েস কবির, বিসেফ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ মনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here