পাহাড়ি ঝিরির পানি। ফাইল ছবি

লিয়ন রিছিল: ‘ওয়াটার ওয়াটার এভরি হোয়্যার, নর অ্যানি ড্রপ টু ড্রিংক’ এই কথাটি যেন ময়মনসিংহ ধোবাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মানুষদের জন্যে ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার সীমান্তবর্তী গিলাগড়া এলাকায় আদিবাসী বাঙালির মিলমিশ বসবাস। কিন্তু এখানকার মানুষের জনজীবনে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। আশেপাশের গোবরচনা, কড়ইগড়া, বাগপাড়া এলাকায় দেখা যায় একই চিত্র।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গিলাগড়া এলাকায় মাত্র দুটি টিউবওয়েল কিন্তু সেই টিউবওয়েলের পানি পানযোগ্য নয়। ওই এলাকার মানুষ শুকনো মৌসুমে জীবন বাঁচাতে প্রতিবেশী দেশ ভারতের মেঘালয় থেকে বয়ে আসা রাসনা নামক ছোট্ট ঝর্ণা থেকে কুয়ো তৈরি করে খাবার পানি সংগ্রহ করে। কিন্তু ভেজা মৌসুম এলে চরম বিপাকে পড়ে যায় ওই এলাকার স্থানীয় গারো আদিবাসীসহ প্রায় দুই শতাধিক বাঙালি পরিবার। পাহাড়ি ঢলের কারণে ঝর্ণার পানি পানের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন একমাত্র বৃষ্টির পানির উপর নির্ভর করেই তাদের জীবন চালাতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচন এলে জনপ্রতিনিধিরা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেও, নির্বাচনের পরে তাদের আর কোন পাত্তা পাওয়া যায়না, কোন খবর থাকে না। ফলে সমস্যা রয়েই যায়।

এলাকার অধিবাসীরা জানান, এরআগে সুপেয় পানির সমস্যার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা দুলাল মিয়াকে জানানো হলে তারা এলাকার সাংসদের সাথে কথা বলে সুপেয় পানির সু-ব্যবস্থা করবেন বললেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থার চিহ্ন দেখা যায়নি। এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজ করেছে চাপা ক্ষোভ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here