নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নীল কালি দিয়ে লেখা ‘সোমেশ্বরী নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি’ সংবলিত প্লেকার্ড ঘুরে বেড়াছে। দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়ে দেশ বিদেশের অনেকেই সংহতি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাথলিক স্টুডেন্ট মুভমেন্ট (বিসিএসএম)-র সাধারণ সম্পাদক নিশান রেমা সংহতি জানিয়ে লিখেছেন, ‘আপনারা যারা নিজেদের পর্যটক বিবেচনা করে সুসং দূর্গাপুর, চীনামাটির পাহাড়, বিজয়পুর-রানীখং চার্চ ঘুরতে যান আপনারাও সামিল হতে পারেন। সিমসাং বা সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে স্থায়ী বাঁধ আবশ্যক।’

বাঁধ নির্মাণের দাবিতে সংহতি জানিয়েছেন সুদূর আমেরিকা প্রবাসী নিবিড় রিছিল, গল্পকার সুবর্ণা পলি দ্রং, বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস)-র সাবেক নেতা জেফিরাজ দোলন কুবি, বাগাছাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুপ হাদিমা, আপসানের কর্ণধার মুন নকরেক সিলক্রিং সহ আরো অনেকেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোমেশ্বরীর ভাঙনে নদী তীরবর্তী কামারখালী, বহেরাতলী, কড়ইকান্দি, বিজয়পুর, রানীখং গ্রামসমূহ প্রায় বিলীন হওয়ার পথে। প্রথম ধাপের ভাঙনে কামারখালী বাজারের অনেক ইতিহাসের স্বাক্ষী স্মৃতিময় শতবর্ষী বটগাছ নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙনে নদী তীরবর্তী মানুষ অনত্র সরে গেছেন।

এরআগে রানীখং এলাকায় নদী ভাঙন রোধে বাঁধ দিতে প্রশাসনের তরফ থেকে উদ্যোগ নেয়া হলেও অজানা কারণে কাজ এগোয়নি বলে স্থানীয় আদিবাসীদের অভিযোগ।

এদিকে কামারখালী নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় যতদিন প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নিবে বা স্থায়ী বেরিবাঁধ না দিবে, ততোদিন প্রতিবাদ সরূপ কামারখালীর উজানে কোন ড্রেজার যেতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রতিবাদকারীদের একজন হিলারিউস গচি রিছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here