নেপালে সদ্য অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান (এস এ) গেমসে তায়কোয়ান্দোতে স্বর্ণজয়ী দীপু চাকমা ও অন্য ১০ ব্রোঞ্জজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারী), জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমনেসিয়ামে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সদ্য সমাপ্ত এস এ গেমসে আমরা অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সংখ্যক পদক অর্জন করেছি। এবারকার গেমসে তায়কোয়ান্দো থেকে প্রথম স্বর্ণ এসেছে। এছাড়াও ১০ টি ব্রোঞ্জ অর্জন করেছি। আমি প্রত্যেক পদকজয়ীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এ সংবর্ধনা আমাদের তায়কোয়ান্দোকদের আগামীতে আরও পদক জিততে উৎসাহিত করবে।

এ সময় বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু, ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মোর্শেদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানাসহ ফেডারেশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণজয়ী পুমসে ক্যাটাগরির তায়কোয়ান্দক দিপু চাকমা বলেন, এই সংবর্ধনা আমাকে আরও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

এস এ গেমসে ১০ ব্রোঞ্জজয়ীরা হলেন- ৬৭ কেজিতে সালমা খাতুন, ৮৭ কেজিতে রাসেল খান, পুমসে এককে কামরুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আনিকা আক্তার, নুর নাহার আক্তার, পুমসে পুরুষ দলগতে কামরুল ইসলাম, নুরউদ্দিন হোসেন ও শিশির আহমেদ জয়, পুমসে নারী দলগতে আনিকা আক্তার, রুমা খাতুন ও সুমাইয়া ইমরোজ, পুমসে মিশ্রতে দিপু চাকমা ও মৌসুমী এবং মেহেদী হাসান ও নুর নাহার আক্তার। অনুষ্ঠানে স্বর্ণ জয়ীদের ৫০,০০০ টাকা ও ব্রোঞ্জ বিজয়ী প্রত্যেককে ১০,০০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়।

এ সময় ২০০৬ সালে কলম্বো গেমসে সোনাজয়ী মিজানুর রহমান এবং ২০১০ সালে ঢাকা এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দুই নারী ক্রীড়াবিদ শারমীন ফারজানা রুমি ও শাম্মী আক্তারের হাতেও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here