শেরপুর ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী গজনী অবকাশ কেন্দ্রে নৃ-তাত্ত্বিক জাদুঘর তৈরীর পরিকল্পনার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর), দুপুরে জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে জেলার আদিবাসী নেতৃবৃন্দের সাথে এক মত বিনিময় সভায় তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, গজনী অবকাশ কেন্দ্রে সারাবছর পর্যটক বেড়াতে আসে। তাছাড়া গজনী সীমান্তের আশেপাশে নয়টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস এবং তাদের রয়েছে সমৃদ্ধ কৃষ্টি, সংস্কৃতি। পর্যটকরা এসব জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, ঐতিহ্য জানতে পারলে অবকাশে আসতে উদ্বুদ্ধ হবে এবং শেরপুরে পর্যটন শিল্প বিকশিত হবে। একই সাথে তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘর তৈরীর পরিকল্পনার কথাও জানান।

মতবিনিময় সভায় ডিডি-এলজি (উপ-সচিব) এটিএম জিয়াউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওয়ালিউল হাসান, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ ভট্টাচার্য, আদিবাসী নেতা প্রাঞ্জল এম সাংমা, কেয়া নকরেক, বন্দনা চাম্বুগং, যুগল কিশোর কোচ, চিন্তাহরণ হাজং, মিন্টু বিশ্বাস, নবেশ খকসী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ভূমি সংক্রান্ত নানান সমস্যা, বয়স্ক-বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতা বিতরণে অনিয়ম, বন্য হাতির অভয়াশ্রম, হাতির আক্রমনে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে বিনামূল্যে ঘর বিতরণে নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরলে জেলা প্রশাসক এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here